1. admin@agrajatrabd.news : admin :
বিজ্ঞপ্তিঃ-
জেলা-উপজেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে যোগাযোগ ০১৩ ০৯ ৩২ ৩২ ৮১
শিরোনাম
জাতীয় শ্রমিক লীগ হরণী ইউনিয়ন শাখায় নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। সিলেট-ভোলাগঞ্জ রোডে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনা ছাতকের মাস্ক ব্যবহার না করায় জরিমানা সুনামগঞ্জে আদালতের ব্যতিক্রম রায়ে জোড়া লেগেছে ৪৭ টি সংসারে খুলনার দাকোপে নবাগত ইউ,এন, ও “মিন্টু বিশ্বাসে’র” কর্মস্থলে যোগদান। রাজাপুরে সাংবাদিক রহিম রেজার জন্মদিন পালন চরফ্যাশনে দেশীয় অস্ত্রসহ ছিনতাইকারী আটকের পর থানা থেকে মুক্তি চৌমুহনী বাজারে, যানজট যেন নিত্যদিনের ঘটনা। ক্ষেতলালে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখার উদ্বোধণ বসুরহাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিঃ উদ্যেগে সকল ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ হতে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সমর্থনে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতঃ-

পেঁয়াজের এতো ঝাঁজ কিসে, ঝাঁজ ঝারলেন ক্রেতারা।

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

আসমা উল হুসনা:

আপা আড়তে চুপচাপ যান দেহেন তেলসামাতি পিয়াইজ গোডাউনে ঠাসা।। সব কি কাইল্যা কিনছে?? টিবিত দেহাইলো আর আইজক্যা একফালে ১০০ এইট্যা কোনো কথা??
পেঁয়াজ বাজার কেমন জানতে শ্যামবাজার ঢুকতেই এমনটা অনুরোধ ক্রেতার এর আগে আইছিলনা গোডাউনে র‍্যাব পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট – বাইরানি দিলে সব সিদা হইয়া যাইব! এভাবেই ঝাঁজ ঝাড়ছিলেন পেয়াজ বাজারের ক্রেতারা। একদিনেই বাড়তি দাম তারা মানতে পারছেন না এবং এটা কৃত্রিম সংকট বলেই মন্তব্য তাদের। তারা জানান দামটা বেড়েছে সংকটে নয় কৃত্রিম সংকটে আর কিছুটা কাজ করছে অহেতুক শংকা।
সত্যতা মিললো ক্রেতাদের কথায় –
যাত্রাবাড়ী,শ্যামবাজার,কাওরান বাজার আড়তগুলো ঘুরে দেখা গেছে টন কে টন পেঁয়াজ মজুদের অভিন্ন চিত্র। যদিও একদিনের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজের কেজি খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। অথচ গত সোমবার দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজের পাইকারি কেজি ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, হঠাৎ করেই পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। গতকাল পাইকারিতে যে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকা ছিল তা আজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা হয়ে গেছে।
পেঁয়াজের দামের বিষয়ে যাত্রাবাড়ী কাচা বাজারের আড়ত ব্যবসায়ী অরূন বলেন, গতকাল দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করেছি ৬০ টাকা। আজ পাইকারিতে দাম ৮০ টাকা। যে কারণে ৯০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি।

সরেজমিনে পাইকারী আড়তগুলো ঘুরে পেয়াজের যথেষ্ট মজুদ চোখে পড়েছে। তবে রিকশা ভ্যান বা পিকাপে করে যারা পাইকারি বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন তারা চড়া দামে কিনছেন বলেই জানালেন। নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জের ব্যাবসায়ী শ্যামবাজার থেকে দেশী পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৮২টাকা কিনলেন বলে জানালেন। গাড়ি ভাড়া সহ অনান্য মূল্য যোগ হয়ে আরো দুই তিন টাকা বেড়ে গ্রাহকের হাতে যাবে ৯০ টাকা দরে বলে জানাতেই পাশে দাড়িয়ে থাকা একজন সাধারণ ক্রেতা জানান বাইরে খুচরা মূল্য কোথাও কোথাও ১০০ টাকা নিচ্ছে। এ বিষয়ে ওই ব্যাবসায়ীরা জানান এখন কেউ যদি তাদের কাছ থেকে কিনে আবার নিজেরা বিক্রি করে তাহলে হতে পারে তবে তারা কেজি প্রতি ৯০টাকা দরেই বিক্রি করবেন। কথা হলো ঢাকা বানিজ্যালয় সহ শ্যামবাজারের অনান্য আড়তদার দোকানীদের সাথে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা তাদের সবার গোডাউন পেঁয়াজে ঠাসা। তবে তিনি জানালেন তার পেঁয়াজ ছিলো না। সবই গতকাল কিনেছেন। তাই ৮৫ টাকার নীচে বিক্রি করতে পারবেন না। তিনি বলেন আমরা কমিশনে কিনি৷ আমাদের যারা মাল দেয় তারা যা ঠিক করে দেয় এর বাইরে আমরা কিছু করতে পারিনা। কিন্তু তাদের আগে কেনা পেঁয়াজ
কেনো তারা বাড়তি দাম রাখছেন? পুনরায় জানতে চাওয়া হলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি একাধিক আড়তদার মালিক দোকানী। যাত্রাবাড়ীর পেঁয়াজ
ব্যাবসায়ী অরুণ আরো জানালেন অনান্য সব্জি তরকারির দামও বাড়তি কিন্তু হঠাৎ করে একদিনে
নিয়ে কেনো মাতামাতি সে প্রশ্ন তারও। পেঁয়াজ মজুদ কেমন আছে জানতে চাইলে কাওরান বাজারের পাইকার জানান দেশে পেঁয়াজের মজুদ একদিনেই শেষ হবার কথা নয় এটা তো আপনারাও জানেন! ইন্ডিয়ান পেয়াজ আসবেনা এখন কদিনে বাজার স্বাভাবিক হয় এটা বলা যাচ্ছেনা।
এছাড়া শ্যমবাজারে পাল্লাপ্রতি বা ৫ কেজি পাল্লা ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে যা কিনা কেজিপ্রতি দর গিয়ে দাঁড়ালো ৯০ টাকা। বাইরের নিতবাজারে এই পেঁয়াজ
বিকোবে কেজিতে ১০০ টাকায়। এই পাল্লা দরে যেমন কিনছেন খুচরা ব্যবসায়ী তেমন ভীড় জমিয়েছেন বাসা বাড়ির সাধারণ ক্রেতারা। তাদের ধারণা ছিল বাইরে খোলাবাজারে আগুন পেঁয়াজ বাজার তাই পাল্লাপ্রতি যদি একটু কম কিনতে পারা যায়, অথচ এখানেও ৪৫০ টাকা পাল্লা। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৬০-৬৫ টাকা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের অভিমত আমাদের দেশে চাষ হওয়া পেঁয়াজ গেলো কোথায়? একদিনের নোটিশে ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ
আমদানী রপ্তানির বন্ধের সাথে আগের পেঁয়াজের
কি সম্পক? সারা বাংলাদেশের চাষ হওয়া ফসল
২৪ ঘন্টায় শেষ?? এর শেষটা কোথায়! বাজার মনিটরিং এ ম্যাজিস্ট্রেট চান ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

আপনারা কিনেন ক্যান?? কিনেন না। আপনাগো লাগে এককেজি দাম বাড়ছে বইল্যা একলগে কিনতাছেন ৫- ২০ কেজি! আমি কি জোড় কইর‍্যা দিসি?? এতোদাম কে, আমারে জিগান ক্যান? কথা গুলো সামনে থাকা ক্রেতাদের উদ্দেশ্য করে অগ্রযাত্রাকে জানান শ্যামবাজারে পাল্লা প্রতি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রেতা। রিপোর্ট সংগ্রহের সময় একজন নারী ক্রেতাকে ২০ কেজি পেঁয়াজ কিনতে দেখা যায়।
এতো পেঁয়াজ একসাথে কেনো, জানতে চাইলে তিনি জানান ২০কেজিই তার একমাসে লাগবে তাই কিনছেন। এছাড়া সামনে দাম বাড়তে পারে সেই শংকাটাও রয়েছে। সেই নারীর প্রতি উপস্থিত অন্যান্য ক্রেতাদের মন্তব্য ছিল উনার টাকা আছে ৪৫০ টাকা বা ৯০ টাকা দরেই নিয়ে গেলেন, অথচ আমার প্রয়োজনীয় টুকু দামের জন্য নিতে পারছিনা – কেউ কেউ অগ্রযাত্রা কে জানান এরা সিন্ডিকেট একমাসে ২০ কেজি লাগে?? এছাড়া তারা বলেন আশেপাশে তাকিয়ে দেখুন তো যে মজুদ দেখতে পাচ্ছেন তা আগামী একমাসেও শেষ হবে কিনা? তাহলে কেনো এই মূল্যবৃদ্ধি? এটা সংকট নয় কৃত্রিম সংকট। এসবের বিহিত করা দরকার। উপস্থিত অন্যান্য ক্রেতারাও প্রশ্ন রাখেন কাল যদি ইন্ডিয়া পেয়াজ রপ্তানী শুরু করে, তবে আগামীকাল অবশ্যই ৩০ টাকায় বিক্রি করতে হবে, তাহলে আজ যারা বলছে কেনাদাম বেশী তাই বিক্রির দাম চড়া তারা কি আজকের কেনা পেয়াজ কাল লসে বিক্রি করবে??

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৫২,৭৯৯
সুস্থ
৩৬৭,২১৮
মৃত্যু
৬,৪৫৯
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,১৫৬
সুস্থ
২,৩০২
মৃত্যু
৩৯
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব