1. admin@agrajatrabd.news : admin :
বিজ্ঞপ্তিঃ-
জেলা-উপজেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে যোগাযোগ ০১৩ ০৯ ৩২ ৩২ ৮১
শিরোনাম
বাসাইল উপজেলার বাথুলী সাদী হাট-বাজার প্রকল্পে চারতলা ভিত ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি এম,নুরুন্নবী সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার হোসেন বকুল ঝিনাইদহে ফেন্সিডিল মাদক ব্যবসায়ী আটক দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি এম,নুরুন্নবী সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার হোসেন বকুল গাজীপুরে শেখ ফজলুল হক মনির ৮১তম জন্মদিন পালিত ৪ ডিসেম্বর ১৯৭১; যুদ্ধে পর্যুদস্ত পাকিস্তানের জাতিসংঘে দৌড়ঝাঁপ দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি এম,নুরুন্নবী সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার হোসেন বকুল চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় নিখোঁজের প্রায় দুই মাস পর এক যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় নিখোঁজের প্রায় দুই মাস পর এক যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় ছেলের বউয়ের হাতে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগ

ভোটারদের কারনে অযোগ্য হয়ে উঠছে অধিকাংশ চেয়ারম্যান

  • Update Time : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

ফয়সাল আহমেদ-
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সুতরাং প্রতিটি স্তরেই গণতন্ত্রের রুপরেখা রয়েছে। গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ রুপ-রেখা প্রতিফলিত হয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যাবস্থায়। স্বভাবত বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ থেকে স্থানীয় সংসদ পর্যন্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া টি সুস্থভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

আজ জানাতে চাই বাংলাদেশের স্থানীয় সংসদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার গল্প।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে যেমন পাঁচ বছর পর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে ঠিক তেমনি স্থানীয় সংসদ নির্বাচন ও পাঁচ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।সকল স্তরের নির্বাচন প্রক্রিয়া টি অনুষ্ঠিত হয় গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোটারদের ভোট প্রদানের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে আসছে ভোটারদের ভোট প্রদানের মাধ্যমে।

দেশে যখন স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর অল্প কিছুদিন বাকি তখন পাড়ায়-পাড়ায় উল্লাসে উল্লাসিত হয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারণ হওয়ার পরমুহূর্তে। দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে যায় জনপ্রতিনিধিদের কে কার চেয়ে আগে এগিয়ে থাকতে পারে প্রচার প্রচারণার দিক থেকে। শুরু হয়ে যায় দোয়া চাওয়া!

যদি আমরা একটু লক্ষ্য করি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে সর্বস্তরের প্রতিনিধি। যেহেতু বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সেহেতু বাংলাদেশের নির্বাচনে যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারবে এটাই স্বাভাবিক। এই যে কেউ অংশগ্রহণ করার কারণে অনেকাংশে প্রশ্নবিদ্ধ হতে হচ্ছে অনেক জনপ্রতিনিধিকে অযোগ্য হিসেবে।

বাংলাদেশের অধিকাংশ স্থানীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান খুব অল্প লেখাপড়া জানেন আবার অনেকে নিজের নামটিও লিখতে জানেন না এমন ঘটনা আমাদের চোখের সামনে প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে এর দায় আমি সরকারকে নয় দিতে চাই ভোটারদের কারণ যখন নির্বাচন আসে তখন আমরা উঠেপড়ে লাগি আমার পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য। অনেক সময় আর্থিক লোভ দেখিয়েও ভোটারদেরকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করে থাকি। অনেক ভোটাররা আর্থিক লোভ সামলাতে না পেরে জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে সামান্য কিছু টাকার বিনিময় তার ভর্তি বিক্রি করে দিচ্ছে একজন অযোগ্য জনপ্রতিনিধির কাছে যে কিনা চেয়ারম্যান হওয়ার মত যোগ্যতা রাখে না।

অযোগ্য চেয়ারম্যানরা নির্বাচিত হওয়ার কারণে যোগ্য প্রতিনিধি গুলো দিন দিন নির্বাচন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে আবার কেউবা লেগেই আছে নির্বাচনের সাথে কেবলমাত্র এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে। কিন্তু পেরে উঠছে না ভোটারদের কারণে।

দেখা যায় জনপ্রতিনিধি না হয়েও এলাকার উন্নয়ন করে যাচ্ছে একজন জনপ্রতিনিধির চেয়ে শতগুণ বেশি। এদের কে আমরা সারা বছর বাহ বাহ দেই কিন্তু ভোটের বেলায় অযোগ্য প্রার্থীকেই বেঁচে নেই টাকার বিনিময়ে।তাহলে বলুন দোশ কার?অবশ্যই আমার আপনার।

দেখা যায় অযোগ্য চেয়ারম্যানরা নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়ন তো করেই না বরং এলাকাকে জরাজীর্ণে পরিণত করে ফেলে। এলাকার যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেখা যায় দুর্নীতির ভয়াবহতা। আবার আমরা অনেক সময় দেখতে পাই সরকারের পক্ষ থেকে অসহায়দের জন্য দেওয়া বিভিন্ন ভাতা উপভোগ কারীদেরকে অর্থের মাধ্যমে ভাতার কার্ড তৈরি করতে হয়।যদি অর্থ প্রদান করা না হয় তাহলে তার ভাতার কার্ড টি হয়না। আর যদি দেখা যায় ভোটার তার পক্ষে ছিল না তখন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পিছে ঘুরতে ঘুরতে হয়রান হয়ে যেতে হয় একটি ভাতার কার্ড এর জন্য।

অনেক সময় দেখা যায় রাষ্ট্রীয় কোনো চিঠিপত্র আসলে সেটা না বুঝেই আবার ফেরত দিয়ে দেয় সরকারের কোষাগারে। অনেক সময় দেখা যায় এজন্য জেলার জেলা প্রশাসক চেয়ারম্যান কে চিঠি দিয়ে থাকে আপনি চেয়ারম্যান হিসেবে ততটা যোগ্য হয়ে ওঠেন নি। আবার দেখা যায় অনেক চেয়ারম্যান নিজের নামটি পর্যন্ত লিখতে জানেন না।

এখন বলতে চাই আপনি নির্বাচনের সময় সামান্য কয়টা টাকার জন্য একজন যোগ্য প্রার্থীকে বাছাই না করে অযোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছেন আপনার মুল্যবান ভোটের মাধ্যমে। এখন তো আপনাকে অবশ্যই তার পিছনে ঘুরে হয়রানি হতে হবে কারণ সে যে অর্থ খরচ করেছে নির্বাচনের সময় সেটা তো আপনাদের মাধ্যমে উসুল করবে। আপনি সামান্য কয়টা টাকার জন্য একজন যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে না নারাজ ছিলেন। তাহলে কেমন করে ভাবেন আপনিও যেকোনো সুবিধা ভোগের জন্য অর্থ ছাড়া তার মাধ্যমে সুবিধা ভোগ করবেন। এটা যদি আপনি ভেবে থাকেন যে আপনি অর্থ ছাড়া যেকোনো সেবা ভোগ করবেন এটা বোকার মত ভাবনা হবে। আমি বলবো আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

আসুন আমরা নিজেরা সচেতন হই অপরকে সচেতন করি। অর্থের লোভে লোভী না হয়ে এলাকার উন্নয়নের লোভী হয়ে একজন যোগ্য প্রার্থীকে আমাদের মহা মূল্যবান ভোটটি প্রদান করে জয়যুক্ত করি।নিজের এলাকা কে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিতে আমাদের ভূমিকা রাখি। তাহলেই সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৭৩,৯৯১
সুস্থ
৩৯০,৯৫১
মৃত্যু
৬,৭৭২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,২৫২
সুস্থ
২,৫৭২
মৃত্যু
২৪
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব