1. admin@agrajatrabd.news : admin :
বিজ্ঞপ্তিঃ-
জেলা-উপজেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে যোগাযোগ ০১৩ ০৯ ৩২ ৩২ ৮১
শিরোনাম
সোনাইমুড়ীতে কৃষকলীগের বিজ বিতরণ বাংলাদেশ হেলথ্ এ্যাসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যােগে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত বাদল রায়ের মৃত্যুতে ঝিনাইদহে শোকসভা মিয়ানমার কক্সবাজারের ৯ জেলেকে ফেরত দিল। জাতীয় শ্রমিক লীগ হরণী ইউনিয়ন শাখায় নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। সিলেট-ভোলাগঞ্জ রোডে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনা ছাতকের মাস্ক ব্যবহার না করায় জরিমানা সুনামগঞ্জে আদালতের ব্যতিক্রম রায়ে জোড়া লেগেছে ৪৭ টি সংসারে খুলনার দাকোপে নবাগত ইউ,এন, ও “মিন্টু বিশ্বাসে’র” কর্মস্থলে যোগদান। রাজাপুরে সাংবাদিক রহিম রেজার জন্মদিন পালন

ধানকাঠি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পিন্টুর বিরুদ্ধে ভিজিডি’র চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ।

  • Update Time : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ-

শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের মহা-সচিব ও জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ রাজ্জাক পিন্টু ধানকাঠি ৩ নং ওয়ার্ডের জয়নাল বেপারির বিরুদ্ধে সরকারের দেওয়া গরীবদের বিনামূল্যের ভিজিডি কার্ডের চাল আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ করেন ধানকাঠি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য সায়েস্তা খান (আবুল)সহ বিভিন্ন ভিজিডি কার্ড ভূক্তভোগীরা।

১৪ আগষ্ট শুক্রবার সায়েস্তা খান বলেন, ২ বছর মেয়াদি মোট ৩৭২ টি কার্ড আছে আমাদের ইউনিয়নে।তিনি গত ৪ বছর ইউপি সদস্য হয়ে দেখেন ৩৭২টি কার্ডের মধ্যে তারা ১৫/২০ টি ভিজিডি কার্ডের চাল বিক্রি করে আসছে । তিনি জিজ্ঞাসা করলে চেয়ারম্যান বলে, এটা ডামুড্যা থেকে চাল আনা নেয়ার খরচ। কিন্তু তিনি অফিস থেকে খোঁজ খবর নিয়ে দেখে যে, এটার খরচ সরকার দেয়। তাহলে আমি গরিবের চাল খাবো কেনো।

একবার আমি জয়নাল মেম্বারকে চালসহ আটকে ছিলাম। পরে চেয়ারম্যান এসে বলে,সরকার যা খরচ দেয় তাতে হয় না। তাই এই কার্ডের চাল বিক্রি করি।
তখন আমি বলি, এভাবে না নিয়ে আমরা কার্ড প্রতি ১০ টাকা করে নিতাম। এছাড়াও আমরা ১২জন ইউপি সদস্য মিলে কিছু দিতাম।

তখন চেয়ারম্যান বলে, এই চাল বিক্রি করে তোদের সবাইকে আপ্যায়ন করাই। তখন আমি বলি গরিবের টাকা দিয়ে আপনি আমাদের আপ্যায়ন করাবেন কানো। এখন যাদের নামে কার্ড হইছে তাদের প্রত্যেককে ৪ বছরের চাল দিতে হবে।

আমার কাছে মোট ১৯ জনের তথ্য আছে। এরা কেউ জানেনই না তাদের নামে চালের কার্ড আছে।

এটা ২ বছর মেয়াদি চালের কার্ড। প্রতি মাসে জনপ্রতি ৩০ কেজি চাল পাওয়ার কথা। আমার ওয়ার্ডে সবুজ খাঁ’র স্ত্রী মাহমুদা, সোহাগ খাঁর স্ত্রী বিউটি, সহ প্রায় ৭/৮ জনের নামে কার্ড রয়েছে। তারা কেউ ২ বছরে একবারও ভিজিডি কার্ডের চাল পায় নাই।

আমি ইউপি সদস্য করি ৪ বছর ২ মাস। এতো বছর ধরে এরকম আরও মানুষের নামে কার্ডের চাল আত্মসাৎ করেছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এছাড়াও গভীর নলকূপ দিয়ে ১৫/২০ হাজার টাকা বানিজ্য করার অভিযোগসহ নানান ধরনের অভিযোগ রয়েছে এই চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য জয়নালের বিরুদ্ধে।

৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিল্পি, বিউটি ও মাহমুদা বলেন, আমরা মেম্বারের কাছে জেনেছি। আমাদের নামে ব্যাংকে একাউন্ট করে চালের কার্ড হয়েছে। কিন্তু আমাদের কখনো এই চাল পাইনি। আমরা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে কখনো কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি।

চাল চুরির অভিযুক্ত ধানকাঠি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য জয়নাল বেপারি বলেন, আমার নামেতো চালের ডিউ হয় না। ডিউ হয় চেয়ারম্যানের নামে। আপনারা তার কাছে জিঙ্গাসা করেন। এ ব্যপারে আমি কিছু বলতে পারবো না।

গরীবের চাল আত্নসাতের ব্যাপারে ধানকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক পিন্টুর বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি পরে বাড় বাড় মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায় নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৫২,৭৯৯
সুস্থ
৩৬৭,২১৮
মৃত্যু
৬,৪৫৯
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,১৫৬
সুস্থ
২,৩০২
মৃত্যু
৩৯
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব