1. admin@agrajatrabd.news : admin :
বিজ্ঞপ্তিঃ-
জেলা-উপজেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে যোগাযোগ ০১৩ ০৯ ৩২ ৩২ ৮১
শিরোনাম
বাসাইল উপজেলার বাথুলী সাদী হাট-বাজার প্রকল্পে চারতলা ভিত ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি এম,নুরুন্নবী সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার হোসেন বকুল ঝিনাইদহে ফেন্সিডিল মাদক ব্যবসায়ী আটক দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি এম,নুরুন্নবী সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার হোসেন বকুল গাজীপুরে শেখ ফজলুল হক মনির ৮১তম জন্মদিন পালিত ৪ ডিসেম্বর ১৯৭১; যুদ্ধে পর্যুদস্ত পাকিস্তানের জাতিসংঘে দৌড়ঝাঁপ দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি এম,নুরুন্নবী সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার হোসেন বকুল চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় নিখোঁজের প্রায় দুই মাস পর এক যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় নিখোঁজের প্রায় দুই মাস পর এক যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় ছেলের বউয়ের হাতে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগ

যমুনা, পদ্মার করাল গ্রাসে বিলীন হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী আরিচা ঘাট

  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্ট : মুহাজির রহমান মিঠু ।
পদ্মায় হঠাৎ পানি বাড়ায় শিবালয়ের আরিচা ও পাটুরিয়া এলাকায় নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। আরিচা ঘাট এলাকার ভাঙ্গনে হুমকিতে পড়েছে আরিচা বাজার। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ভাঙ্গনের তীব্রতা। পানি বৃদ্ধি পেয়ে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের পাটুরিয়া পয়েন্টের তিনটি ঘাটের পন্টুনের প্রবেশ মুখ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল।
দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী আরিচা ঘাট গত দুই বছর ধরে তীব্র নদী ভাঙ্গনের মুখে। নদী গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে আরিচা ঘাট এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। দুই বছর ধরে বর্ষায় তীব্র নদী ভাঙনে হুমকির মুখে আছে শিবালয় বন্দর বাজার, গরুর হাট ও আরিচা নদী বন্দর, এবং বন্দর সংলগ্ন বাড়ি-ঘরসহ বহু স্থাপনা । আরিচা নদী বন্দর এবং গরুর হাট থেকে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করে থাকে। ভাঙনের কারণে এসব স্থাপনা যদি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়, তাহলে একদিকে বাজারের ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষ ভীষণ ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হবে, অপদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হবে। ভাঙন রোধে এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

দুই বছর আগে আরিচা ঘাটের যে স্থানে ধু-ধু বালুর চর দেখা গেছে। এবার সেখানে গভীর পানি রয়েছে এবং পানির তীব্র স্রোতে কাটাল পড়েছে। যে কারণে এবার বর্ষা মৌসুমে তীব্র নদী ভাঙনের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে নদীর পাড় এলাকায় বাজারের কয়েকটি দোকান ঘর নদীতে ধসে পড়েছে। লাখ লাখ টাকা খরচ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে অনেক অতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা । গতবারের বর্ষায় পানি বাড়ার সময় যেভাবে নদী ভাঙ্গন শুরু হয় তা বিগত ৫০ বছরেও কেউ দেখেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এবার বর্ষা শুরু হবার আগেই ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে পানি বৃদ্ধির সময় আরিচা বন্দর বাজার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে । নদীর পাড় এলাকা দিয়ে বেড়ীবাঁধ নির্মাণ করলে হয়তো নদী ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে বলে অনেকেই মনে করেন এমতাবস্থায় আরিচা ঘাট সংলগ্ন নিহালপুর এলাকা হতে দক্ষিণ শিবালয় পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন রোধে জরুরি ভিত্তিতে বেড়ীবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা । শিবালয় বন্দর ব্যবসায়ী সমাজ কল্যাণ সমিতি’র পক্ষ থেকে পানি সম্পাদ মন্ত্রণালয়, সংসদ সদস্য মানিকগঞ্জ-১, জেলা প্রশাসক মানিকগঞ্জ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবালয়, নির্বাহী প্রকৌশলী বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং নির্বাহী প্রকৌশলী বিআইডব্লিউটিএ বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

জানা গেছে, এবার শুস্ক মৌসুমে নদীতে চর পড়লে ড্রেজিং করে চ্যানেল বের এবং নদীর পার এলাকা থেকে ড্রেজিং করে ব্যাক্তি মালিকানা জায়গায় ফেলায় এ ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করে । অনেক ব্যবসায়ীদের দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। শিবালয় বন্দর বাজারের অনেক দোকান ঘর নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। আরিচায় নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে হুমকিতে পড়বে ঐতিহ্যবাহী আরিচা নদী বন্দর, শিবালয় বন্দর হাট-বাজার, আবহাওয়া অফিস, পিসিপোল নির্মাণ প্ল্যান্ট, কাশাদহ পানি ব্যাবস্থাপনা সমবায় সমিতি’র নদী পারের পানির হাউজ, তেওতা-জাফরগঞ্জ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও সড়ক, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি অফিস কমপ্লেক্স, নির্মাণাধীন ড্রেজিং ইউনিট অফিস, শিবালয় থানা কমপ্লেক্স, মসজিদ ও মসজিদ মার্কেট, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, জেলা পরিষদের সরকারি ডাকবাংলো ও স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও এলাকার বহু বাড়ি-ঘর। উজানে ভাঙন শুরু হলে ভাটিতে পাটুরিয়া ফেরি টার্মিনালও নদী নদী গর্ভে বিলীন হবার উপক্রম হবে।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন জানান, আরিচা ঘাট এবং বন্দরের নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ব্যবসায়ী সংগঠন ও স্থানীয় নের্তৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ আমাকে তাগিদ দিয়েছেন। নরমালি প্রপোজাল আমরা হেড অফিসে পাঠিয়েছি। কিন্ত এখনও পাস হয়নি। এবার বর্ষার আগেই আমরা জিও ব্যাগ ফেলে রাখবো, যাতে বর্ষার সময় নদীর পার না ভাঙে। ভাঙ্গন রোধে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।আরিচা নদী ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ ফালানোর প্রক্রিয়া চলছে।
নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা বাসীর একটাই প্রানের দাবি জাফোরগন্জ খেকে আরিচা- পাটুরিয়া হয়ে হরিরামপুর পর্যন্ত বেরিবাধ হোক সামনে দিনগুলোতে যেন আর এমন দৃশ্য দেখতে না হয় তাহলে নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে চির মুক্তি পাবে এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৭৩,৯৯১
সুস্থ
৩৯০,৯৫১
মৃত্যু
৬,৭৭২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,২৫২
সুস্থ
২,৫৭২
মৃত্যু
২৪
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব