1. admin@agrajatrabd.news : admin :
বিজ্ঞপ্তিঃ-
জেলা-উপজেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে যোগাযোগ ০১৩ ০৯ ৩২ ৩২ ৮১
শিরোনাম
বেলাবতে জমিতে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে ১ বৃদ্ধের মৃত্যু দাকোপে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংক ও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা স্থাপন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাজাপুরে ৩ সন্তানের জনক ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় মামলা গ্রেফতার ২ বাধ নির্মান করা হলো বাকেরগঞ্জের রঙ্গশ্রী ও নিয়ামতি ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী নিখোঁজের ১ দিন পর স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার “মোহাম্মদ আলী কলেজ” এর অবকাঠামো নির্মাণ উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়ার অনুষ্ঠান। অনলাইন শিক্ষা বনাম ভালো ফলাফল সিলেট এমসি কলেজে গৃহবধূকে গনধর্ষণ: পুলিশ চার্জশিট দিতে পারেনি দুই মাসেও !  ধান কাটতে বাঁধা দেয়ায় দেশীয় অস্ত্রের কোপে একজন নিহত দক্ষিণ রণিখাইয়ে সাধারণ জনগনের মাদক বিরোধী অভিযান

জামায়াত নেতাদের সরকারবিরোধী ছকেই পানিতে ঈদ জামাত; ইমামতিও করেছেন জামায়াত নেতা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০
  • ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টঃ সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম, চীফ রিপোর্টার-

খুলনার কয়রায় জামায়াত নেতাদের রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে। আর এতে মদদ ছিল আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের। এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের।

হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায়ের ভিডিওটি প্রথমে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। পরে তা প্রচার হয় সংবাদমাধ্যমে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের অনুরোধে সোমবার (২৫ মে) স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণের জন্য হাজির হয়েছিলেন স্থানীয়রা। হঠাৎই ঘোষণা হয় পানির মধ্যেই ঈদ জামাতের। ইমামতির জন্য দাঁড়িয়ে যান উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর তমিজ উদ্দিন।

প্রশাসন বলছে, স্থানীয় লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ঈদের দিন বাঁধ মেরামতের কাজ করবেন- এমন পরিকল্পনার কথা জানানোর পর সরকারি খরচেই সবার জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল কুমার বলেন, ‘আমাদের বলা হয়েছিল বাঁধ নির্মাণ হবে। তাই আমি নিজে সেখানে পরিদর্শনে যাই। তবে পানির মধ্যে নামাজ পড়ার বিষয়টি জানা ছিল না। স্থানীয়ভাবে করা হয়েছে।’

স্থানীয় আওয়ামী লীগ বলছে, বাঁধ নির্মাণের আড়ালে রাজনৈতিক সক্রিয়তা দেখিয়েছে জামায়াত-শিবির। আর তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মদদ দিয়েছেন খোদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহসিন রেজা বলেন, আমাদের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন শফিকুল ইসলাম। তিনি মদদ দিয়েছেন। মূলত তার কারণে জামায়াত-শিবির এই সুযোগ পেয়েছে। কেননা বাঁধের আড়ালে তাদের লক্ষ্য ছিল সবাই একত্র হবে।
এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ ঘিরে অনুষ্ঠিত ওই ঈদ জামাতে কয়েকশ’ মানুষ অংশ নিলেও মানা হয়নি সামাজিক দূরত্বের নির্দেশনা।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাইলে কয়রা থানার ওসি রবিউল ইসলাম অগ্রযাত্রাকে বলেন- কয়রা এলাকা জলচ্ছাসে প্লাবিত এটা সত্যি কিন্ত আমি জানতাম ওখানে এলাকাবাসী মিলে বাধ নির্মাণ করবে, তারা যে ঈদ জামাত গাদাগাদি করে পানিতে করবে এটা হয়তো গোপনে নির্ধারিত ছিলো। আর যিনি ইমামতি করেছেন তিনি আগে জামাতের সভাপতি ছিলেন বলে নিশ্চিত হয়েছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৫৯,২৭২
সুস্থ
৩৭৩,৯২৪
মৃত্যু
৬,৫৫২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১,৯০৮
সুস্থ
২,২০৯
মৃত্যু
৩৬
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব